Friday, January 22, 2016

ইন্টারভিউ দেওয়ার সহজ উপায়


চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব

প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে নাকীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত?
উ.: লিকুইড।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।
তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ 
প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসেদিন না রাত?’

তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!
কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!
চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!

চরম ইন্টারভিউ



প্রশ্নকর্তা: একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
প্রার্থী: এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছে শুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন?
প্রার্থী: হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তা: এক বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খাল পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে?
প্রার্থী: কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তা: শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন?
প্রার্থী: উমমআমার মনে হয়, তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
না মানে, আমদের কলিগ মাখন ভাইয়ের ছোট্ট মেয়েটাকে কোলে নিয়েছিলাম তো। কী যুগ এসেছে, দেড় বছরের মেয়েরাও আজকাল লিপস্টিক লাগায়।

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
ও এই কথা, অফিসে আজ ড্রেস অ্যাজ ইউ লাইকে পার্টিসিপেট করেছিলাম। মুখে হালকা রংটং দিতে হলো। ভালো করে ধোয়া হয়নি মনে হয়।

এ কি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
এফডিসিতে গিয়েছিলাম। নায়ক ছাকিফ খানের সঙ্গে দেখা হতেই কোলাকুলি করলাম। এরাও দেখি শুটিংয়ের সময় মেয়েদের মতো লিপস্টিক পরে। কী হাস্যকর বলো তো!

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
আরে না, লিপস্টিক হবে কেন? রিটায়ার করার পর একটি বাড়ি করব বলে রঙের দোকানে একটু ঢুঁ মেরে এলাম। রিয়াটারমেন্টের তো আর মাত্র ১০ বছর বাকি। ওখান থেকেই হয়তো গালে রংটং লেগেছে।

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
হাঃ হাঃ, কী যা-তা বলছ। একটা ব্রন হয়েছিল ওখানে, চিকিৎসকের পরামর্শে অয়েন্টমেন্ট লাগিয়েছি। অয়েন্টমেন্টের রংটা একটু লাল ছিল। হাই পাওয়ারের অয়েন্টমেন্ট তো!

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
, এটা নিশ্চয়ই শফিকের কাজ। তোমার কাছে আমাকে ফাঁসানোর জন্যই আমার অজান্তে গালে এটা লাগিয়ে দিয়েছে। ওই যে মনে নেই? আগে একবার আমার শার্টে একটা লম্বা চুল দিয়ে তোমার কাছে ফাঁসিয়েছিল, তুমি তো বিশ্বাসই করতে চাও না।



Sunday, September 8, 2013

আপনারে প্যান্ট খুলতেই হবে

এক লোক টয়লেটে গিয়ে দেখলো ,
সেখানে লেখা,
আপনে যত্ত বড়ই বীরপুরুষ হন না ক্যান,
এখানে আইসা আপনারে প্যান্ট
খুলতেই হবে,
সো ভাব কম নেন ঠিকাছে ভাইয়া!!!!!
লোকটা চরম লজ্জিত হয়ে অন্য
টয়লেটে গিয়ে বসলেন ।
আরামসে কাজ চালাচ্ছেন , এমনসময়
দেখলেন , সেখানে লেখা........
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
. এইযে ভাই , টয়লেট চেন্জ
কইরা আসছেন ভাল ,
কিন্তু মনে রাখবেন ,
আপনার ফেলে যাওয়া বস্তু
কোন চিত্রকল্প না যে মানুষরে দেখানোর জন্য
রেখে যাবেন ।
সো পরিমিত পানি ব্যবহার করুন ,
কিপ্টামি করবেন না ,
ঠিকাছে ভাইয়া!!!।

Saturday, August 17, 2013

খুব সুন্দরী, বয়স ২৬ বছর, তিন মাসের প্রেগন্যান্ট

একটা বিয়ার কোম্পানিতে বিয়ারের স্বাদ
পরীক্ষা করার জন্য লোক নিয়োগ
দিচ্ছিল। বাজে চেহারার এক মাতাল
ইন্টারভিউ দিতে এল। কোম্পানির ডিরেক্টর
একে দেখেই বাতিলের খাতায় রেখে দিলেন।
কিন্তু ইন্টারভিউ দিতে যখন এসেছে, তখন
তো ইন্টারভিউ নিতেই হবে।
প্রথমে এক গ্লাস বিয়ার দেয়া হলো।
মাতাল সেটা একটু খেয়ে সব উপকরণেরসঠিক
নাম বলে দিল। ডিরেক্টরের ভুরু কুঁচকে গেল।
এবার আরেক গ্লাস দেয়া হলো।
সেটাও ঠিক মতো বলে দিল। ডিরেক্টর
এবার তার সেক্রেটারিকে ইশারা দিয়ে কিছু
করতে বললেন। সেক্রেটারি গ্লাসে প্রস্রাব
করে নিয়ে এসে মাতালের সামনে রাখল।
মাতাল একটু খেয়ে বললঃ খুব সুন্দরী,
বয়স ২৬ বছর, তিন মাসের প্রেগন্যান্ট।
আমাকে চাকরিটা না দিলে আপনার
স্ত্রীকে গিয়ে বলে দেব বাবাটা কে।
কিছু বুইঝ্যা মজা পাইলে জলদি লাইক দিন।

চুলকানি

আবুল গেল তার জ্যোতিষ বাবার কাছে।
ডান হাত বাড়িয়ে বললোঃ
‘বাবা! আমার ডান হাত চুলকায়।
কী আছে সামনে বলেন?’
জ্যোতিষ বাবা উত্তর দিলোঃ ‘তোর অর্থ
প্রাপ্তি সুনিশ্চিত!’
আবুল বললোঃ ‘বাবা বাম হাতও চুলকায়!’
জ্যোতিষ বাবা বললোঃ ‘কী বলিস! তোর
আরও অর্থ আসবে!’
আবুল আনন্দিত গলায়
বললোঃ ‘বাবা বাবা, আমার ডান হাঁটু
চুলকায়!’
জ্যোতিষ বাবা কইলোঃ ‘তোর বিদেশ
যাত্রা হবে!’
খুশিতে গদগদ আবুল মহা উৎসাহের
সাথে বললোঃ ‘আমার বাম হাঁটুও
চুলকায়!’
এবার বিরক্ত
হয়ে জ্যোতিষী বাবা বললোঃ ↓ ↓ ↓





→→→→→ ‘ওরে হারামজাদা!! তোর
তো বিরাট চুলকানি হয়েছে রে ’ !!

টয়লেট না সাইবার ক্যাফে???

কাশেম : পাবলিক টয়লেট থেকে ১ ঘন্টা পর বের হল!!!

জমাদার : ভাই, আপনের লিগা ৫টা কাস্টমার
ঘুইরা গেছে৷ আপনে ১ ঘন্টা ভিতরে ছিলেন৷ ২০
টাকা দেন৷

কাশেম : ১ ঘন্টা ২০ টাকা কইলেই হইল?
শালা, এইডা কি টয়লেট নাকি সাইবার ক্যাফে ??